
জঙ্গলরোমিও
মলয় রায়চৌধুরী
কেন-কিঁ কেন-কিঁ কেন-কিঁ কবি লেখক নাট্যকার চিত্রকর অভিনেতা ভাস্কর স্হপতি এরা সবাই অসামাজিক গাধা
–আরে…এই মিশকালো নিনড় ভদ্রলোক বলেন কি… ছ’ফিটের হবেন বোধহয়…তাই বলে…
–নট মি…ইটস দি বার্ড’স সঙ…
–কথাগুলা উনার নয়…বাইঞ্চোত আমাগো টিয়াপাখির…উনি টিয়াপাখির কাছ থিকা শিখসেন…
–আপনি ওয়াঁকে নিগ্রো নিগার ব্ল্যাক মুলাট্টো যা ইচ্ছে বলতে পারেন…ওয়াঁর খারাপ লাগবে না…টু বি প্রিসাইজ…উনি আমেরিকান নন…আফ্রিকান…ওয়াঁর মা আফ্রিকা থেকে ইটালিতে গিয়েছিলেন…ওয়াঁর নামটা বিটকেল…ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু… ওয়াঁর মতন জিভ মুচড়ে উচ্চারণ করতে হলে…বিদ্যাসাগর মশায়কে তৃতীয়ভাগ লিখতে হতো…উনি কালু শুনতে অভ্যস্ত…জেলহাজতে ওয়ার্ডেনরা ওয়াঁকে কালু নামেই পেটাতো…আমরা ওয়াঁকে কালু না বলে শিস দিয়ে ডাকি…কালো মানে যে কয়লাটে তা উনি জানেন…অন্যদের জীবনের পাঁক তুলতে-তুলতে এদেশে এসে পৌঁছেচেন…ঠিকই… ওয়াঁর উচ্চতা সাড়ে ছ’ফিট…ব্লাডি ফাকিং হাইট…
–হ্যাঃ হ্যাঃ…কুড়ি কোটি দুর্যোধনের বাল…আমি সালা এগগালে নগসাল ছিলুম… মনে থাকে যেন…
–এই চুপ…যে মরে গেছে তার নকল করবেন না…
–বাংলা জানেন ?
–নাহ…টু বি প্রিসাইজ…ভাঙা-ভাঙা বাংলা…বাকিটা বোবামি দিয়ে বুঝিয়ে দেন…আপনি আমাদের সঙ্গে থাকতে থাকতে ব্লাডি ফাকিং ইউজড টু হয়ে যাবেন…আপনি ওয়াঁর মুখে এক্ষুনি যা শুনলেন…টু বি প্রিসাইজ…তা উনি শিখেছেন আমাদের টিয়াপাখির কাছে…টিয়াপাখিটা প্রতিদিন সকালে ওই কথাগুলো কপচে-কপচে আমাদের ঘুম চটকায়…জঙ্গলের এফ এম রেডিও বলতে পারেন…
–এখানে ডুয়ার্সের গভীর জঙ্গলে এসে জুটলেন কী করে…টিয়াপাখি আর কেলো দুজনেই ? টিয়াপাখি তো শুনেছি বাজার থেকে কিনে খাঁচায় না পুরলে মানুষের মাতৃভাষায় কথা বলেন না…জঙ্গল থেকে ধরে এনে সরাসরি কথা বলানো কঠিন…মানে…যায়ই না বলানো…কথা বলানোর জন্য খাঁচায় পোরা বা পায়ে শেকল বাঁধা জরুরি…দ্যাখেন না…কাকাতুয়াদের পায়ে শেকল বেঁধে তারপর কথা বলানো হয়…উচ্চমাধ্যমিকে পড়েছিলুম…মানুষ হোমিনিড থেকে হোমোসেপিয়েন হতে পারতেন না…যদি না তাঁরা খাঁচা বা কারাগার আবিষ্কার করতেন…খাঁচা আবিষ্কার করে তাতে মানুষকে পোরবার পরই মানুষ গোঙাতে-গোঙাতে আমাকে ছেড়ে দাও… আমাকে যেতে দাও…আমি কিচ্ছু করিনি…ধরণের তোতলামি আওড়াতে বাধ্য হয়েছিলেন… লজ্জাস্হানে অশথ্থপাতা বাঁধা বা কোমরে ঝাউপাতা ঝোলাবার প্রথা তারপর ঘটেছিল…
–টু বি প্রিসাইজ…যেভাবে আপনি এখানে এসে জুটলেন… আমি এসে জুটেছি…উনি সেভাবেই এসে জুটেছেন…তবে ব্লাডি ফাকিং টিয়াপাখিটা একজন নেপোপ্রেমী চিৎফাঁদ পাঁজি টয়লেট কোম্পানির ঘ্যামচাঁদ মালিকের বাড়ি থেকে চুরি করে আনা…চোদ্দো হাজার কারখানা লাটে উঠে ওই একরকম কারখানাই তো টিকে আছে ধর্ষণমাতৃক দেশে…শ্বেতশুভ্র চিৎফাঁদ পাঁজির টয়লেট রোল…নেপোপ্রেমী…দুটো টিয়াপাখি আমরা ওয়াঁর বাড়ি থেকে চুরি করে এনেছিলাম…অন্যটাকে গত বছর শেয়ালে বা কোনো জংলি জানোয়ারে পালকসুদ্দু খেয়ে ফেলেছে বলে মনে হয়…সেই পাখি অসামাজিক গাধার বদলে বলতেন সামাজিক চুতিয়া…
–মানে…কেন-কিঁ কেন-কিঁ কেন-কিঁ কবি লেখক নাট্যকার চিত্রকর অভিনেতা ভাস্কর স্হপতি এরা সবাই সামাজিক চুতিয়া ? তার মানে মরা পাখিটা জীবন্ত পাখিটার চেয়ে উচ্চশিক্ষিত ছিলেন বলে অনুমান করতে পারা যায়…আই অ্যাম শিওর…তাঁকে নেপোপ্রেমী চিৎফাঁদ পাঁজি টয়লেট কোম্পানির বাড়িতে ওপরের খোপের খাঁচায় বেশিদিন থাকতে হয়েছে…
–চিৎফাঁদ পাঁজি টয়লেট কোম্পানির নেপোপ্রেমী চৌখাম্বা মালিক প্রতি বছর যে খয়রাত দিতেন আর খাইখরচ… খোরপোষের সুপারিশ করতেন…তার জন্য পাখি দুটো পুষেছিলেন…পাখিদুটোর সামনে নাম লেখা গ্রিটিং কার্ড ফেলে দিতেন…টু বি প্রিসাইজ…যে পাখিটা চুতিয়া কপচে গান শোনাতেন…সেই পাখিটা যাঁর নামের কার্ড তুলতেন তাঁকে দশ গুণ…আর অন্য পাখিটা তুললে চিৎফাঁদ পাঁজি টয়লেট কোম্পানির দশরঙা ক্যালেণ্ডারে তাঁদের ছবি ছাপিয়ে দিতেন…কাঁধে সিল্কের চাদর-গামছা দিয়ে…ঠাণ্ডা-মার্বোনাইটের দিওয়ানে-খাসে…সেসব ঐতিহ্যের কাহিনি ওনার চিৎফাঁদ পাঁজি টয়লেট নেপোপ্রেমী রোলেই নজরে পড়েছিল এককালে…আমরা যখন ওয়াঁর বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়েছিলাম…সেদিনকেই চিৎফাঁদ পাঁজি টয়লেট রোলে ছেপে বেরিয়েছিল…কী অসাধারণ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় উনি খয়রাত-খোরপোষ অনুদান প্রকল্প আবিষ্কার করেছেন…আমরা টয়লেট বা টিশ্যু ব্যবহার করার সুযোগ নমাসে-ছমাসে পাই… ওই যখন ব্লাডি ফাকিং ছোটো-ছোটো ঘটনা ঘটাতে বেরোই তখন সেদিনকার চিৎফাঁদ পাঁজি টয়লেট রোলগুলো কোনো ঠেক থেকে দুষ্টুমি করে তুলে নিই…যাতে প্রতিভাশালী গরুপাচারকারী আর সৃষ্টিশীল গাছ-মাছ-ঠিকেদার কত্তাদের খবরাখবর পাওয়া যায়…আর ডাকাতি করার নাব্যতা আছে এমন চিৎফাঁদ টয়লেট পাঁজি মালিকটালিকের নামসাকিন ঘাঁতঘোঁত জানা যায়…নয়তো ডুয়ার্সের এই গভীর জঙ্গলে বসবাস করে কী করেই বা জানা যাবে কারা কারা ব্লাডি ফাকিং ঘাপটি মেরে এদিক-ওদিক হাত ঢোকাচ্ছে…পাখিদুটোর সামনে কেলো টয়লেট পেপারের টুকরো রেখে রেখে ওয়াঁদের এফ-এম বুকনির বদভ্যাসকে নিয়মিত করে ফেলেছিলেন…কার সঙ্গেই বা উনি কথা বলবেন বলুন…হয় পাখিদুটোর সঙ্গে…নয়তো নিজের প্রেমিকার সঙ্গে…ভালোই ফোঁড়তুলুনি প্রেমিকা পেয়েছেন…কথা আদান-প্রদানের অসুবিধা হয় না…
–খাঁচা থেকে কী করে খেলো জংলি জানোয়ার…আপনারা তো খাঁচাসুদ্দুই তুলে এনেছিলেন…নাকি ?
–হ্যাঃ হ্যাঃ…কুড়ি কোটি দুর্যোধনের বাল…আমি সালা এগগালে নগসাল ছিলুম…মনে থাকে যেন…
–এই চুপ…যে মরে গেছে তার নকল করবেন না…
–আমরা খাঁচাসুদ্দু চুরি করে এনেছিলাম বটে…কিন্তু টু বি প্রিসাইজ…জঙ্গলে উড়িয়ে দেবার পরও ব্লাডি ফাকিং পাখিদুটো পালালেন না…থেকে গেলেন আমাদের সঙ্গে…বোধহয় মানুষদের সঙ্গে থাকার বদভ্যাস হয়ে গিয়েছে ওনাদের…ওই যে আপনি বললেন…একবার খাঁচায় ঢুকিয়ে বুলি শিখিয়ে দিলেই তিনি হোমিনিড থেকে হোমোসেপিয়েনের রাস্তায় সরসরিয়ে নামতে শুরু করেন…লাল-গলা পাখিটাকেই খেয়ে ফেললেন কোনো নোলা-সকসকে জংলি জানোয়ার…সেই থেকে বেঁচে-থাকা সবুজগলা পাখিটা রাতের বেলায় যাঁর ঘরে উড়ে গিয়ে বসেন ইউজুয়ালি সেই ঘরেই থাকেন রাতভর…মানুষ-ন্যাওটা হয়ে গেছেন পাখিটা…কুরুচকুনে টিয়া…
–যাক…জঙ্গলে আপনাদেরও টাইম পাস…ফুটপাতিয়া বাংলায় গালাগাল-গুঞ্জরিত এফ এম সঙ্গীত শোনেন…নয়তো…যা দেখছি…এখানে টিভি মোবাইল বা ওই ধরণের আমুদে গ্যাজেট জিইয়ে রাখার কোনো পরিষেবা নেই…এই সমস্ত ভেবেই আমি সন্ন্যাস নিয়ে হিমালয়ের কোনো গুহার জাঙালভিটে অ্যাডপ্ট করতে যাচ্ছিলুম…মরবার জন্য কারণ চাই তো…জেলে উদ্দেশ্যহীন ঘানি ঘোরাবার চেয়ে…
–আজকাল তো সন্ন্যাসীরাও ল্যাপটপ-পেন ড্রাইভ আর মোবাইল ফোন…টু বি প্রিসাইজ…স্মার্ট ফোন রাখছেন… কুম্ভমেলায় হোমের আগুন জ্বেলে…ছিলিমে টান দিয়ে…ফোনে মিউজিকাল আশীর্বাদ দিচ্ছেন শিষ্যদের…মোবাইল টাওয়ারের আওতায় সন্ন্যাস নিলেই হল…টাওয়ারগুলো তো দিনকেদিন গ্রামগঞ্জের… শানপুকুরের…মঠের…বাউলদের…শ্মশানের…চিড়িয়াখানার কাছেপিঠে চলে যাচ্ছে…
–আইলেন কী কইরা বাইঞ্চোত এত দূর…ডুয়ার্সের জঙ্গলে…এত ভিতরে…ট্যুরিস্ট রুট ছাইড়া…ফেডেড জিন্স…সবুজ টিশার্ট…স্পোর্টস জুতা…মুক্তাছাগু দাড়ি…
–আমি তো আইনের চোখে আবির দিয়ে পালাচ্ছিলুম…ভেবেছিলুম হিমালয়ে কোনও পাথুরে আড়ালে ঠাঁই নিয়ে সন্ন্যাসীর জীবন কাটাবো…দমদম বিমান বন্দর থেকে ভুটানের পারো বিমানবন্দর…তারপর লোকাল বাসে করে গেলেফু…পারো থেকে গেলেফুও বিমানে আসতে পারতুম…পুলিশে ম্যানিফেস্ট দেখে তা থেকে ফলো করবে আঁচ করে লোকাল বাসে চাপলুম…গেলেফু থেকে হাঁটতে হাঁটতে বর্ডার পার করে শিলিগুড়ির দিকে না গিয়ে ডুয়ার্সের জঙ্গলে ঢুকলুম…তিন দিন হেঁটেছি…কী করব ভেবে পাচ্ছিলুম না…তারপর আড়াল থেকে আপনাদের চারজনকে দেখতে পেলুম…মাটির গর্তে কিছু করছেন…মনে হল আমার বয়সী একজন লোককে তাতে শুইয়ে দিয়ে মাটি ছড়িয়ে দিলেন… এরকম ঘন জঙ্গলে একজনের শবে মাটি ছড়িয়ে দিচ্ছেন দেখে মনে আশা জাগল যে হয়তো আপনারাও আমার মতন সামাজিক গাড্ডায় পড়ে গিয়ে থাকবেন…
[স্কাউন্ড্রেলগুলোর সঙ্গে ঠিকমতো কথা চালিয়ে যেতে পারছি মনে হয়…যা বলছে এরা…বেশ বিপজ্জনক লোকজন…পিওর ক্রিমিনাল না সন্ত্রাসবাদী যাচাই করে দেখা যাক…বেশ ঘাঁটি গেড়ে বসেছে জঙ্গলের ভেতরে…তবে রিপোর্ট ছিল কেবল একজনের উপস্হিতির…এরা তো একটা গ্যাঙ…]
–টু বি প্রিসাইজ…হয়তো ব্লাডি ফাকিং গাড্ডা…কিন্তু সব গর্ত একই রকম হয় না…আপনার ব্লাডি ফাকিং গাড্ডার কথা বলুন…তারপর আমাদের গাড্ডার কথা শুনবেন…তবে…টু বি প্রিসাইজ…ব্যক্তিগত সাম্প্রতিকের কথাই কেবল বলবেন…আমাদের পারিবারিক বা সামাজিক অতীত নেই…বুদ্ধ বলে গেছেন… অতীত নিয়ে চিন্তা কোরো না…ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর হয়ো না…নিজের মনকে বর্তমান মুহূর্তের দিকে একাগ্র করো…বাই বুদ্ধ আই মিন গৌতম বুদ্ধ হু লেফ্ট হিজ ফ্যামিলি…নট দ্য ওয়ান হু ইজ লেফ্ট বাই দি লেফ্ট ফ্যামিলি…
–হ্যাঃ হ্যাঃ…কুড়ি কোটি দুর্যোধনের বাল…আমি সালা এগগালে নগসাল ছিলুম…মনে থাকে যেন…
–এই চুপ…যে মরে গেছে তার নকল করবেন না…
–যাঁর ওপর মাটি ছড়িয়ে দিলেন তিনি আপনাদের কে ছিলেন… আত্মীয়… বন্ধু… বহিরাগত… চুকলিখোচর…দেহরক্ষী…
–না…না…তিনি আমাদের পঞ্চমজন…ভুল বলেছি…ষষ্ঠজন…ব্লাডি ফাকিং আত্মহত্যা করেছিলেন..টু বি প্রিসাইজ…নাম আমরা ব্যবহার করি না…পুরুষ মানুষের জীবনে সবচেয়ে ক্ষতিকর হল তার পোশাক আর নাম…আমরা নামহীন পুরুষদের নিয়ে পোশাকহীন সমাজ গড়ার পক্ষে…কেবল কোল-প্রেমিকাদের নাম থাকবে…আমাদের প্রেমিকাদের একটি করে নাম আছে…জঙ্গলে এসে আমরা বদলাইনি…জঙ্গলকেই বদলে দিয়েছি…সবাই মিলে যদি উলঙ্গ সমাজ গড়েন তাহলে ভয় শোক মায়া লজ্জা অপমান ঘেন্না অমর্যাদা সংশয় থেকে ছাড়ান পেয়ে যাবেন…প্রেমিকারা আমাদের মরমিয়া উদ্ধার…
–এখানে জঙ্গলে এসে আত্মহত্যা…স্ট্রেঞ্জ…সমাজ সংসার ছেড়ে এসেও আত্মহত্যার কারণ থাকে নাকি…
–এঁড়ে নেকুপুসু জিদ…ওয়াঁর প্রেমিকার বিশ্বাসঘাতকতা সহ্য করতে পারেননি উনি…যে প্রেমিকা ওয়াঁর ছিল…তাঁকে উনি বলতেন চাঁদবদনী…লিগালি ব্লণ্ড…
–ওঃ…প্রেমিকার জন্য বিবাগী হয়ে চলে এসেছিলেন…তা সে তো ওনার বয়ঃসন্ধির রসকশের দিনকালে ঘটে থাকবে…যদিও দূর থেকে আবছা দেখে মনে হল আমার-আপনার চেয়ে কচিনধর মানুষ…
–আমরা জঙ্গলে নিজের-নিজের সোহাগী প্রেমিকার সঙ্গেই বসবাস করি…ওয়াঁর প্রেমিকাও এখানেই থাকেন…
–প্রেমিকা…বিয়ে-শাদি-নিকা না করে সবাই লিভটুগেদার করছেন নাকি…চুল দাড়িও কামান না…আঁচড়ান না…সবাই…গায়ের দুর্গন্ধে মহিলারা অবজেক্ট করেন না ? সকলে এভাবে বাসি নোংরা লুঙ্গি পরেই কাটিয়ে দেন…খালি পায়ে…দাঁত মাজেন না…চোখে পিচুটি…নখে ময়লা…
[ প্রেমিকা…ডুয়ার্সের গভীর জঙ্গলে প্রেমিকা…তারা কারা…এদের মতোই নোংরা…এদের দলের মহিলা সদস্য…নাকি জোর করে তুলে এনেছে…বলছে লিগালি ব্লণ্ড…বিদেশিনী হবে…আরও খুঁচিয়ে এদের কাণ্ডকারখানা জানবার চেষ্টা করি…]
–না…কেন অবজেক্ট করবেন…ওয়াঁদের থেকেই আমাদের গায়ে…আপনি যাকে বলছেন দুর্গন্ধ…আর আমরা বলি সুগন্ধ…তা ছড়িয়ে পড়ে…মন দেয়া-নেয়ার ঢঙে গন্ধ দেয়া-নেয়া…দরকার পড়লে কেলো চুল দাড়ি কেটে দ্যান…ওয়াঁর কাছে খুর আছে ব্লাডি ফাকিং সেল্ফ ডিফেন্সের জন্য…মুর্গি-খরগোশ-বাদুড় কাটার জন্য অবশ্য ছুরি-চপার আছে…সেই খুর ব্যবহার করে সবাই নমাসে-ছমাসে গোঁপদাড়িভুরুবগলকুঁচকি কামিয়ে চুলহীন হয়ে যাই…চুলের কোষাগারে জমা থাকে…পাথরে ঘষে খুরে শান দিয়ে রাখেন…কাঁচিও আছে…যদি দরকার পড়ে…আমরা কা