
রন্টুর দাদু

সত্যজিৎ রায়
রন্টুর বয়স পনের, কিন্তু এর মধ্যেই তার গানের গলা হয়েছে চমৎকার। সে সকালে ওস্তাদের কাছে এক ঘন্টা গান শেখে। যে তার গান শোনে সেই বলে, ‘এ ছেলে আর কয়েক বছরের মধ্যেই আসরে গান গাইবে।’ এ গুণটা যে সে কোথা থেকে পেল সেটা বলা শক্ত, কারণ রন্টুর বাবা-মা কেউই গাইতে পারেন না। বাবা খুব ভালো ছাত্র ছিলেন, সে গুণ রন্টু পেয়েছে, আর মা-র কাছ থেকে পেয়েছে মিষ্টি স্বভাব আর ফরসা রঙ। কিন্তু গান?