ওরা আমাকে একটা ঘরের মেঝেয় মড়ার মতো চিৎ করে শুইয়ে রেখেছিল। চোখের বাঁধন খুলে দিয়েছিল। ঘুটঘুঁটে অন্ধকার ঘর। কিছুক্ষণ পরে আমার মাথার দিক থেকে একজন গলায় ছুরির ডগা ঠেকিয়ে ফিসফিস করে বলল, এই ব্যাটা! বাঁচতে যদি চাস, ওই ঘুঘু ব্যাটাচ্ছেলেকে একটা চিঠি লেখ।, বলব লিখবি। কৈ হে? কাগজ কলম দাও। দেরি করা যাবে না।
মাথার দিকে টর্চের আলো জ্বলল। পুরনো জরাজীর্ণ ঘর। পলেস্তারা খসে গেছে। এটা সেই সন্ধ্যানী...