আমি তখন সবেমাত্র ইউনিভার্সিটি থেকে বাড়ি ফিরেছি। খামের কোণে নীল রঙের এমব্লেম আর বোস্টনের ছাপ দিখেই ধারণা করেছিলাম চিঠিটা প্রফেসর হিরোহিতোরই হবে। মনটা সঙ্গে সঙ্গে নেচে উঠল। ছ-মাস তার কোনো খবর পাইনি। স্বেচ্ছ্বানির্বাসনে আছেন তিনি। এমনকী টেলিফোন লাইনও তিনি কেটে দিয়েছেন। পাছে কেউ তাঁর গবেষণার কাজে ব্যাঘাত ঘটায় সে জন্য।