শিবের ত্রিশূলের পুরো গল্প আরেকদিন হবে। কাশীর সেবাশ্রম সঙ্ঘে একটি দোতলার ঘর পাওয়া গেল। সেখানে জোড়া তক্তপোশে শুলুম আমরা মোট ছ’জন
অমলবাবু, তাঁর দুই দিলীপ, সমীর (সে আমার পুত্র হয়েছে) মেসোমশাই আর তাঁর পাশটিতে আমি। যার কাছে যা চাদর-টাদর ছিল, বিছিয়ে চমৎকার ঢালা ফরাস হল ঠিক বিয়েবাড়ির মতো। কম্বল প্রত্যেকেরই আছে, এমনকি আমারও। আর যার যা গরম জামা ছিল সেগুলো গুটিয়ে পুঁটলি পাকিয়ে মাথার বালিশ...