
Best Bengali story books to read
Binod Roy
বাংলা সাহিত্যের অসাধারণ সব গল্পের জগতে হারিয়ে যেতে ঘুরে আসুন BooksPointer-এ। এখানে পাবেন জনপ্রিয় ও কালজয়ী বাংলা গল্পের বই, বিখ্যাত লেখকদের সেরা সৃষ্টি, হৃদয়ছোঁয়া গল্প, রহস্য, রোমাঞ্চ, প্রেম, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের নানা কাহিনি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র, বিভূতিভূষণ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বাংলা সাহিত্যের অসংখ্য খ্যাতিমান লেখকের গল্প আবিষ্কার করুন এক জায়গায়।
আপনার পছন্দের গল্প খুঁজুন, নতুন বই আবিষ্কার করুন এবং বাংলা সাহিত্যের আনন্দ উপভোগ করুন।
আজই bookspointer ভিজিট করুন—আপনার পরবর্তী প্রিয় গল্পটি হয়তো এখানেই অপেক্ষা করছে
ফেল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ল্যাজা এবং মুড়া, রাহু এবং কেতু, পরস্পরের সঙ্গে আড়াআড়ি করিলে যেমন দেখিতে হইত এও ঠিক সেইরকম। প্রাচীন হালদার-বংশ দুই খণ্ডে পৃথক হইয়া প্রকাণ্ড বসত-বাড়ির মাঝখানে এক ভিত্তি তুলিয়া পরস্পর পিঠাপিঠি করিয়া বসিয়া আছে; কেহ কাহারো মুখদর্শন করে না।
নবগোপালের ছেলে নলিন এবং ননীগোপালের ছেলে নন্দ একবংশজাত, একবয়সি, এক ইস্কুলে যায় এবং পারিবারিক বিদ্বেষ ও রেষারেষিতেও
শেষ কথা - সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
জমিদার বাড়ির গঙ্গার ঘাট। তেমন তো কেউ সরে না। সাবেক কালের বাঁধন আলগা হয়ে এসেছে। পইঠের কিছু কিছু হেলে গেছে। এইবার যে-কোনও দিন জোয়ারের গাঙ্গে গা ভাসিয়ে দেবে। সরকারি বাঁধন আইন মোতাবেক দুপাশ দিয়ে চলে গেছে। সে আরও বিপজ্জনক। ঘাটের সীমানা ছাড়িয়ে জলের তলায় কোথায় কী হয়ে আছে ওপরের কল্লোলিনী স্রোতধারা দেখে বোঝার উপায় নেই। যতটা সম্ভব সাবধানে অমল ডান পা জলে বাড়াল।
শুভদৃষ্টি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কান্তিচন্দ্রের বয়স অল্প, তথাপি স্ত্রীবিয়োগের পর দ্বিতীয় স্ত্রীর অনুসন্ধানে ক্ষান্ত থাকিয়া পশুপক্ষী-শিকারেই মনোনিবেশ করিয়াছেন। দীর্ঘ কৃশ কঠিন লঘু শরীর, তীক্ষ্ম দৃষ্টি, অব্যর্থ লক্ষ্য, সাজসজ্জায় পশ্চিমদেশীর মতো; সঙ্গে সঙ্গে কুস্তিগির হীরা সিং, ছক্কনলাল, এবং গাইয়ে বাজিয়ে খাঁসাহেব, মিঞাসাহেব অনেক ফিরিয়া থাকে; অকর্মণ্য অনুচর-পরিচরেরও অভাব নাই। দুই-চারিজন শিকারী বন্ধুবান্ধব লইয়া অঘ্রানের মাঝামাঝি কান্তিচন্দ্র নৈদিঘির বিলের ধারে শিকার করিতে গিয়াছেন। নদীতে দুইটি বড়ো
তামাক - তারাপদ রায়
গল্পটা অনেকদিনের পুরনো। পড়েছিলাম সেই ‘অচলপত্র’ কাগজে। সেও অনন্তকাল আগে, অন্তত তিরিশ বছর তো হবেই।
এ কালের মহাভারতের নবীন পাঠক, অচলপত্রের নামটা কি খুব অচেনা, খুব অপরিচিত মনে হচ্ছে? কখনও দেখেননি অচলপত্র পত্রিকা? মনে পড়ে দীপ্তেন সান্যাল?
আমাদের নব যৌবনের দিনে অচলপত্র ছিল আমাদের রসিকতা শিক্ষার পাঠশালা আর তাঁর পণ্ডিতমশাই ছিলেন দীপ্তেন সান্যাল।
শিউলি - নিমাই ভট্টাচার্য
মালপত্র গুছিয়ে রাখার পর হট কেসটাকে দেখিয়ে শৈবাল বললেন, দোয়েলকোয়েল, তোমরা আগে দাদুনকে খাইয়ে দিও। তারপর তোমরা দুজনে..
উনি কথাটা শেষ করার আগেই দোয়েল একটু হেসে বলল, তোমার ভয় নেই। তোমার বাবাকে আমরা না খাইয়ে রাখব না।
এবার উনি মেয়েদের দিকে তাকিয়ে বলেন, তোমরা দাদুনকে একলা রোখে কোথাও যাবে না। দাদনের সব কথা শুনবে।
কোয়েল সঙ্গে সঙ্গে দাদুনের