লাবিয়ার মাকড়ি

লাবিয়ার মাকড়ি

মলয় রায়চৌধুরী

লাবিয়ার মাকড়ি

Books Pointer Iconমলয় রায়চৌধুরী
Books Pointer Iconnovel

Posted byবই বন্দর24-Jul-2025

Change color

চিনেবাদামের খোসার রঙের দশতলা আদালত-বাড়িটা ঘন পাইন জঙ্গলের ভেতরে, যেখানে আসতে হলে সোঁদা গন্ধের সুড়ঙ্গ বেয়ে পায়ে হেঁটে আসতে হয়, হাজার হাজার লোক দুশো ছেচল্লিশ বছর যাবত এই পথে চলে চলে বর্ষার পরেও চোরকাঁটা গজাতে দেয় না, জঙ্গলের ভেতরে বলে পেশকার-মুহুরি আর উকিল-মক্কেলরা ক্লান্ত হয়ে গেলে, শুকনো পাতার ওপর বসে কিংবা শুয়ে জিরিয়ে নেয়, ঝোপঝাড়ের সবুজ আড়ালে পুরুষরা দাঁড়িয়ে আর মহিলারা উবু হয়ে হিসি করে, হাগে, তার কারণ আদালতবাড়ির প্ল্যান অনুমোদন করার সময়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ, পায়খানা রাখাকে আইনের পক্ষে ক্ষতিকর মনে করে বাদ দিয়েছিলেন ।


জঙ্গলের ভেতরে অনেকে দল বেঁধে এলে টিফিন বাক্স খুলে মান্দ্রাজি চাদর পেতে বাজরার রুটি আর বাকরখানি খিচুড়ির পিকনিকও করে নেয় । যে আসামীরা জেল হাজত থেকে আসে, তারা একের পেছনে আরেকজন হাঁটতে হাঁটতে যায়, পালাবার উপায় নেই, কেননা সবার কোমর দড়ি দিয়ে বাঁধা, হাতে হাতকড়া, সামনে একজন পুলিশের হাতে দড়ির এক দিক, পেছনের পুলিশের হাতে আরেক, পাহারা দেবার বন্দুকধারীরা পাশে-পাশে লেফ্ট-রাইট ।


এই আদালত বলতে যে বিচারালয় বোঝায় না তা জজ সাহেব নিজেই এজলাসে বসার সময় প্রতিদিন ব্যাখ্যা করে দিতেন । তিনি এও বুঝিয়ে দিতেন যে জেল বলতে কারাগার বোঝায় না । উনি বলেছিলেন, এগুলো সিস্টেমের অংশ, সার্বভৌম প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা প্রকাশের আধার, ব্যাস, মেনে নিতে হয়, মেনে নিতে হবে, জয়ো হে ।


আদালতে যাবার পথে কোমরে-কোমরে দড়ি-বাঁধা, হাতে হাতকড়া, তরুণ তরুণী যুবক যুবতী প্রৌঢ় প্রৌঢ়া বুড়ো বুড়ি সব রকমের মদ্দামাগি আসামীরা সার দিয়ে ট্যাগোর-রক সুরে বাঁধা এই গানটা গাইতে গাইতে যায়, গানটা অনেকটা অ্যাসিড রকের মতন :


“হা রে, রে রে, রে রে, আমায় জেলে পুরে, দে রে–

যেমন বন্ধ খাঁচার পাখি মনের আনন্দে রে ।

ঘন পাঁকের ধারা যেমন বাঁধন-হারা,

ডিজেল বাতাস যেমন আকাশ লুটে ফেরে ।

হা রে, রে রে, রে রে, আমায় জেলে পুরে দে রে —

দলদাসের নাচন যেমন সকল রাস্তা ঘেরে,

বংশ যেমন বেগে ঢোকে পিছন ফেড়ে,

অট্টহাস্যে সকল পাড়ার শান্তির বুক চেরে ।

হা রে, রে রে, রে রে, আমায় জেলে পুরে, দে রে…..”।


যখন আমি জামিনে ছাড়া পাইনি তখন আমিও অমনভাবে সকলের সঙ্গে সারি দিয়ে গলা ছেড়ে গাইতে গাইতে যেতুম । পাহারাদাররা সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের পোঁদে লাথি মারতে-মারতে যেতো, ডানদিকের পাহারাদার বাঁ পা দিয়ে আর বাঁ দিকের পাহারাদার ডান পা দিয়ে ।


লাথি খেতে-খেতে আমাদের গাইতে আরও ভালো লাগত, উৎসাহ পেতুম , তার কারণ এই অনুন্দ্যসুন্দর দেশে লাৎখোররাই সবচেয়ে বেশি আনন্দে থাকে, তাদের ভবিষ্যত স্হিতিস্হাপক হয়ে ওঠে ।


আমার মতন যারা জামিনে ছাড়া পেয়ে কেস লড়ছে, তারা বাসা থেকে বা হোটেল থেকে বা জ্ঞাতির বাড়ি থেকে হাঁটতে হাঁটতে পোঁছোয়, উকিল মুহুরি মোক্তার জজ কেরানিদের সঙ্গে পাশাপাশি ।


কাঠিকাবাব আর শোনপাপড়ির দোকানদাররা আদালত চত্বরেই বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে, তাদের ভুঁড়ি-ফোলা বাচ্চারা কেমন করে স্কুলে বা কলেজে পড়তে যায় জানি না । কে জানে, হয়তো বড়ো হয়ে তারাও কাঠিকাবাব আর শোনপাপড়ির দোকানদারি বা মুহুরিগিরি করবে বলে স্কুলে যাওয়া দরকার মনে করে না।


জংলি ঝোপঝাড়ের বদান্যতা, আর ফেলে ছড়ানো ঢ্যাঙা গাছে, সব্জেটে অন্ধকারে জঙ্গলটা ঠাণ্ডা হলেও, গথিক ঢঙের আদালতবাড়িটা বেশ গরম, শীতকালেও বিশেষ হেরফের হয় না । প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ভেবেছিল শহর থেকে দূরে জঙ্গলের ভেতরে হলে শহরের ভোঁচকানি তিকড়মবাজি আদালতে এসে পৌঁছোবে না । কিন্তু সে ভাবনার পোঁদে হুড়কো দিয়ে শহর ঠিক পৌঁছে গেছে তার নচ্ছারমো নিয়ে । মাকড়সাদের না মেরে শুধু তাদের জাল আর ঝুল ঝাড়ার ঠিকে দেয়া হয় এক নম্বর পিন্ডিকেটকে ; আরশোলাদের না মেরে কেবল মশা তাড়াবার ঠিকে দেয়া হয় দুই নম্বর পিন্ডিকেটকে ; পানের পিক বাঁচিয়ে চুনকাম করার ঠিকে দেয়া হয় তিন নম্বর পিন্ডিকেটকে ; ছারপোকাদের বাঁচিয়ে আসবাব পালিশের ঠিকে দেয়া হয় চার নম্বর পিন্ডিকেটকে ; পাঁচ ছয় সাত আট নয় দশ কতোগুলো যে পিণ্ডিকেট আছে তার ঠিকঠিকানা নেই ।


প্রতিষ্ঠান আদমসুমারি করে দেখেছে যে যারা আদালতবাড়িতে আসে তাদের শতকরা নিরানব্বুই জন দুঃস্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে ; আর, কে না জানে, পিণ্ডিকেটের সাহায্য না পেলে দুঃস্বপ্ন গড়া সম্ভব নয়।


প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কড়া মাদক আর নেই ; অভ্যাস, লোভ আর নেশায় আকাশের দিকে পোঁদ করে সাষ্টাঙ্গ হয়ে যায় অমন নেশাখোররা। ডারউইন নামে একজন সাহেব নাকি ওনার ‘অরিজিন অফ টার্নকোটস’ গ্রন্হে লিখে গেছেন যে অমন নেশায় বাঁদরদের লাল পোঁদও রাতারাতি হলুদ নীল সবুজ কমলা বেগুনী হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে ।


আদালতের নয়তলায় নয় নম্বর এজলাসের গুমোট গরম, বেঞ্চে ছারপোকার চামড়া-চাটা হুল, দেয়ালে বারোয়ারি পিকের থুতুর সাতবাস্টে দরানি, বদবুদার ঘামের চটচটে হলকায়, যখন আমার মামলা চলছিল, সপ্তাহে পনেরো মিনেটে মুখে-তাম্বাকু উকিল দাঁড়িয়ে কিছু বললে, আবার পরের সপ্তাহে দশ মিনিট কুঁজোকেল্টে কেউ গলাখাঁকারি-সাক্ষ্য দিলে, ঢিকিয়ে-ঢিকিয়ে এই ভাবে চলছিল, ক্ষয়াটে সিঁড়ি পাকিয়ে একবার ওপরে, আবার হুড়হুড়ে ভিড়ের ঠেলায়, পাক খুলে নিচের তলায়, তখন আরও অনেক বিচারাধীনের মামলার মারপ্যাঁচ শুনতুম আর ভাব করার চেষ্টা করতুম, বিশেষ করে যারা খুন করে জামিনে রয়েছে, তাদের সঙ্গে ; কেউ পাত্তা দিত না, কেননা আমার মোটর সাইকেল চুরির মামলাটা ওদের ওজনদাঁড়িতে ছিল খবরের কাগজ কিনিয়েদের ওজনমারার মতন ছিঁচকান্তি।


তবু বিশেষ একজনের মামলার ডেট পড়লে, পেছন থেকে যার অন্যমনস্ক হাঁটা দেখলে ঘুষঘুষে জ্বর এসে যায়, আমি তার শুনানিতে পৌঁছে কান পাততুম পক্ষে-বিপক্ষে কিরকম বেলাগাম তক্কাতক্কি চলছে, এতই প্যাঁচানো ছিল তার কেস, আর সেই তক্কে খুনের দায়ে মামলাটা যে লড়ছে তার সঙ্গে আলাপ হয়ে গেল, প্রথমদিকে ভয়ে-ভয়ে, কেননা খুনি যখন খুনি, একটু শ্রদ্ধা তো তাকে করতেই হবে, আমি যা কোনোকালে পারব না তা সে করে ময়ুরকন্ঠী গলা উঁচিয়ে, বুক ফুলিয়ে, খোঁপার বাঁধন নামিয়ে, আদালত চত্বরে ঢেউ তুলেছে ।


সমাজের ভেতরে-বাইরে খুনিরা সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধার পাত্র বা পাত্রী, অন্য আসামীরা তার তলায় । আমি ছিলুম সবচেয়ে তলার পাদানিতে, ফেকলু মোটর সাইকেল লিফটার । উকিলকে বলেছিলুম, যে বারবার মোটর সাইকেল না বলে বাইক বলুন না, তা উনি বললেন বাইক বললে লোকে ভাববে সাইকেল ।


সরকারি উকিল, চাকরিতে ঢোকার সময়ে যে কালোকোট ছিল তাইতেই চালিয়ে যাচ্ছে, আমার কেস উঠলেই, আমার দিকে হাড়গিলে আঙুল তুলে বলত, বাংলা ভাষাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর মোটর সাইকেল রেপিস্ট, তার কারণ নতুন মোটর সাইকেল দেখলে নিজেকে আজও সামলাতে পারি না, মনে হয় লিফ্ট করে নিয়ে পালাই, আর উড়িয়ে রেপ করি, কোনোটা লাল, কোনোটা হলুদ, কোনোটা ঝকঝকে কালো, দেখলেই মাঝরাতের কুয়াশায় তুলে নিয়ে ছুটিয়ে বেড়াই দূর দূর হাইওয়ের ওপর । কিন্তু একসময়ে, রাতকয়েকে মন ভরে গেলে, কিংবা আরও চিকনতনু মোটর সাইকেল দেখতে পেলে, যেখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলুম, তার কাছাকাছি রেখে দিয়ে কেটে পড়ি ।


জজ সাহেব আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আসল রহস্যটা কী ।


আমি সহজ উত্তর দিয়েছিলুম, যে, জগতসংসারের কাণ্ডজ্ঞানহীনতার দমক আর যুক্তিপূর্ণ জীবনের চাহিদার টানাপোড়েনের বিকৃত ভারসাম্যের টাল সামলাবার জন্যে আমাকে নতুন-নতুন মোটর সাইকেল চুরি করে চার-পাঁচ শো কিলোমিটার চালাতেই হয়, এছাড়া এই নির্মম পৃথিবীর প্রতি অনুশোচনাহীন রোষ, আর মানুষে-মানুষে সম্পর্কের প্রতি অবিশ্বাস প্রকাশের উপায় জানি না ; নান্দনিক বিশুদ্ধতা অর্জনের জন্য ভার্জিন মোটর সাইকেল চাপতেই হয় আমাকে, নইলে নিজের ছেৎরানো আত্মপরিচয়কে সামলাতে পারা অসম্ভব হয়ে উঠবে।


জজ জানতে চেয়েছিলেন, কোন ব্র্যাণ্ডের জাঙিয়া পরে চালান ?


আমি যা সত্যি তাই বলেছিলুম, মি লর্ড, আমি সারা জীবনে কখনও জাঙিয়া পরিনি, এখন এই যে আদালতে দাঁড়িয়ে আছি, কোনো আণ্ডারওয়্যার নেই ; মনে-রাখা-অভিজ্ঞতাকে নষ্ট করে দ্যায় আণ্ডারওয়্যার।


জজ বলেছিলেন, এ হল নৈরাত্মসিদ্ধিরর প্রকোপ, মেশিন আপনার মগজকে মিউটিলেট করে দিয়েছে ; সে কারণেই আপনি ভার্জিন মোটর সাইকেলে চেপে গর্ববোধ করেন, মগজ অসুস্হ হলে মানুষের শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে, যতো কলঙ্ক ততো বিহ্বলতার অসুস্হতা আপনার মগজকে পেয়ে বসে ; প্রেম, মানুষ পশু বা যন্ত্র, যার সঙ্গেই হোক, তা এক আতঙ্কদায়ী অনুভব ।


আমি বলেছিলুম, আপনি যথার্থ বলেছেন হুজুর, যে সব লোকেরা নিজেদের সঠিক জন্মদিন জানে তাদের সম্পর্কে আমার ঘেন্না হয়, মোটর সাইকেল তো কবে জন্মায় কেউই জানতে পারে না, অথচ দেখুন হুজুর, তার জন্মদিনের নথি তৈরি হয় বিক্রির দিন ।


জজ বলেছিলেন, হুম । সমাজকে বাধ্য হয়ে আপনার মতন নিহিলিস্ট, অ্যানার্কিস্ট আর দিবাস্বপ্নদ্রষ্টাদের প্রশ্রয় দিতে হবে, নয়তো এই সমাজের অবসান থামানো যাবে না । তারপর জজ সাহেব জানতে চেয়েছিলেন, নারীদের অপছন্দ করেন কেন?


যা সত্যি তাই বলেছিলুম আমি, পোশাক খুললেই ম্যানেক্যুইন বেরিয়ে পড়ার ভয়ে, মি লর্ড ; আর তাছাড়া, স্ত্রীলোকদের গোপনাঙ্গকে বড়ো গ্রটেস্ক স্থাপত্যের ব্যাপার মনে হয় । শোবার ঘরের চারটে দেয়ালে যদি আয়না লাগানো থাকে তাহলে প্রেমকর্মকে কি হাস্যকর মনে হবে না ? বলুন আপনি !


বুড়ো জজ, কাঁচাপাকা না-আঁচড়ানো চুল, নাকে ঝোলানো চশমা, আমাকে, যেহেতু একশো বছর পর কুড়ি টাকার নোট লুপ্ত হয়ে যাবে, কুড়ি টাকা জরিমানা করেছিলেন, আর সাবধান করে দিয়েছিলেন যাতে ভবিষ্যতে এরকম কাজ প্রমাণসাপেক্ষে না করি, উপদেশ দিয়েছিলেন, বাংলা ভাষাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর হলেও, আমি যদি ইংরেজিতেও স্নাতকোত্তরটা করে নিই, তাহলে বুকার প্রাইজের যোগ্য ‘বাইসাইকেল রেপিস্টস সিকরেট লাইফ’ নামে একখানা বেস্ট সেলার লিখতে পারব ; জজসাহেবও জানেন যে বাংলার বেস্ট সেলার লিস্টটা চারশো বিশ, সে কথা উনি ওনার রায়ে লিখেছেনও ।


পুলিশের যে দুজন সাক্ষ্য দিয়েছিল, আমার বিরুদ্ধে, তারা কখন যে শোরুমের পাশের দেয়ালে যখন দাঁড়িয়ে পেচ্ছাপ করছিলুম, সে সময়ে, আড়চোখে মোটর সাইকেল দেখতে থাকা আমার ফোটো তুলে নিয়েছিল, ক্লিক শব্দ শুনেও, জানতেও পারিনি । সাক্ষ্য দেবার সময়ে তারা বলেছিল, আমি নাকি জেলহাজতে কুন্দনলাল সাইগল গাইতুম ।


রায় দেবার পরে জজসাহেব জানতে চেয়েছিলেন, ভোট দিই কিনা ।


আমি সত্যি কথাটাই বলেছিলুম, যে স্যার, ভোট ব্যাপারটা তো বুমেরাং, তাই ভয়ে দিই না, মানবতার মতন চালাকি আর নেই ।


নাকের একটা চুল উপড়ে জজ সাহেব বলেছিলেন, ভালো নির্ণয়, আমিও তাই মনে করি । আদর্শের ভেতরে যতো তাড়াতাড়ি ম্যাগট জন্মায় ততো তাড়াতাড়ি ডাস্টবিনের পচা কুকুরের শবেও জন্মায় না। আমাদের মনে রাখতে হবে যে মানুষ তত্ব ফাঁদে কোনো-না-কোনো পরাজয় বা অসফলতাকে ব্যাখ্যা করার জন্যে ।


আমি বলেছিলুম, জি হুজুর, কম বয়সে যা লাল সেলাম ছিল তা বুড়ো বয়সে ফোকলা দাঁতে ঘোলাটে চোখে অ্যাঁড় খেলাম হয়ে গেছে।


জজ জিগ্যেস করেছিলেন, বিদেশ ভ্রমণ করেছেন ।


বলেছিলুম, হ্যাঁ স্যার, কিন্তু মোটর সাইকেলে নয়, হাওয়াই জাহাজে করে ।


বিশেষ কোনো অভিজ্ঞতা হয়েছে ? কানে কড়ে আঙুল ঢুকিয়ে আরামের পরশ দিতে-দিতে জজ সাহেব জানতে চেয়েছিলেন ।


**********