কালিন্দীর কূলে বাঁশি বেজে উঠলো। বাঁশি বেজে উঠলো গোঠ গোকুলে। তার সুরে কেঁদে উঠলো একটি মেয়ে। রাধা। সে তীনভুবনজনমোহিনী। শিরীষকুসুমকোআলী। অদ্ভুত কনকপুতলী। তার রূপে মুগ্ধ হয় তিন ভুবনের অধিবাসীরা। শিরীষকুসুমের মতো কোমল সে। রাধা এক অদ্ভুত—আগে কখনো দেখা যায় নি এমন—সোনার প্রতিমা। সে-রাধার কান্নার সুরে বাঁধা প’ড়ে আছে মধ্যযুগের প্রথম দিকের বাঙলা ভাষা।