যে কাহিনীটি আপনাদের আজ বলতে যাচ্ছি, তা বিশ্বাস করা না-করাটা আপনাদের অভিরুচি। কেননা, নিজের মনেই বিশ্বাস উৎপাদন করানোর মত যুক্তি আজও আমি খুঁজে পাইনি।
বেশ কয়েক বছর আগেকার কথা। সালটা খুব সম্ভব উনিশশো বত্রিশ। রাত সাড়ে দশটা বেজে গেছে। শয়নের উদ্যোগ করছি, এমন সময়ে সদর দরজার কলিং বেলটা বেজে উঠল এবং তার মিনিট খানেক পরেই বিবেকের পুরোন চাকর রাধু হাতে তুলে দিলে ওপরে লাল পেন্সিলে ‘জরুরী’ লেখা ভা...