সভাভঙ্গের পর হল থেকে বেরিয়ে আসছি, হঠাৎ আমার পিঠের উপর ছোট্ট একটি কিল। ভাবি ভিড়ের চাপে কারও হাত ঠেকে গেছে। তাই কিল খেয়ে কিল চুরি করি। ট্রামে বাসে অমন তো কত হয়। কিন্তু কিলের পর চড় পড়তেই আমার হুঁশ হয়।
পেছন ফিরে দেখি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের নবকলেবর। তেমনি শীর্ণ ঋজু দেহযষ্টি। কাঁচা-পাকা একমুখ দাড়ি-গোঁফ। চোখের দুষ্টু হাসি। হ্যাঁ, তেমনি কিল চড় আদরের পদ্ধতি। সে কি জীবনে ভোলা যায়!