প্রৌঢ় সদরালা সারদাবাবু গভীর রাত্রে দেবীর বরলাভ করিলেন।
দেবীর চেহারাটি ঠিক ঠাকুর-দেবতার মতো নয়; তন্বী তরুণী কুহকিনীর মতো। ফিক্ করিয়া হাসিয়া দেবী বলিলেন, ‘বৎস, চব্বিশ ঘণ্টার জন্য তোমার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করিলাম; কাল রাত্রেও যদি তোমার মনোভাব পূর্ববৎ থাকে, বর পাকা করিয়া দিব।’—বলিয়া চটুল হাস্যময়ী দেবী অন্তর্হিতা হইলেন।