দুটো দিন কাটতে-না-কাটতেই দীপের বেজায় একঘেয়ে লাগতে থাকে। মা আর মাসির সঙ্গে দীপ দাদু-দিদার কাছে বেড়াতে এসেছে। সঙ্গে এসেছে দীপের দিদি টিংকু আর মাসতুতো দিদি পিংকু। দীপের বয়স বারো। পিংকু-টিংকুর বয়স পনেরো-ষোলো।
দীপের দাদু-দিদা থাকেন মেদিনীপুরে এক গ্রামে। একসময় ওই অঞ্চলের জমিদার ছিলেন এই চৌধুরীরা। এখন জমিদারি নেই বটে তবে পুরনো দাপট আর ঐশ্বর্যের রেশ বেশ খানিকটা রয়ে গেছে।