রত্নবতী

রত্নবতী

মীর মোশাররফ হোসেন

রত্নবতী

Books Pointer Iconমীর মোশাররফ হোসেন
Books Pointer Iconnovel

Change color

১

প্রথম পরিচ্ছেদ

গুজরাট নগরের বাজপুত্রের সহিত সেই রাজোবর মন্ত্রিপুত্রের অভেচ্চ প্রণয় ছিল। রাজপুত্রের নাম সুকুমার এবং মন্তিপুত্রের নাম ক্কমন্ত। সমস্ত বিছ্যাবৃদ্ধিতে রাঁজতনয় অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ছিলেন। তাহার! বাল্যকালাবধি ফৌবনকাল পর্ধান্ত একত্র ভোজন, একত্র শয়ন এবং একপঙ্গে ক্রীড়াদি করাতে প্রণয়ের বিশেষ আধিক্য জন্মিয়াছিল। কিন্তু কালের কি আশ্চর্য্য গতি। মঙ্গম্যেব সৌভাগ্যশশী কখনই সমভাঁব থাকে না। সময়ে পূর্ণ ও ক্ষয়প্রাপ্ত হয় । রাজকুমার সুকুমার এবং মন্ত্রিকমার স্মন্তের মিত্রতা তাহারই প্রমাণ দিয়াছিল।


একদ। প্রভাকর দৈনিক কাধ্য সমাধানাস্তর লোহিত-বসনাবৃত হইয়া পশ্চিমাচলে গমনোছ্যোগ করিতেছেন, এমন সময় বাজনন্দন ও মস্ত্রিতনয় অত্যুত্কষ্ বেশভূষায় ভূষিত হইয়। প্রদোষকালে বিশ্তুদ্ধ বায়ুসেবন করিতে বহির্গত হইলেন। ইতস্তত: নগরের স্থুচারু শোভা সন্র্শন করিতে করিতে রাজনন্দন সুকুমার মৃহুমধুর সন্বোধনে প্রাণাধিক মিত্র মস্ত্রিপুত্রকে বলিলেন, সখে ! বল দেখি, ধন শ্রেষ্ঠ কি বিদ্যা শ্রেষ্ঠ ? মন্ত্িপুত্র হাস্ত করিয়া বলিলেন, বন্ধো! ইহা আর জিজ্ঞান্ত কি? ধন অপেক্ষা বিদ্যা সহ অংশে শ্রেষ্ঠ । এই বাক্য শ্রবণ করিয়। রাজনন্দন বিরক্ত হইয়া কিঞ্চিৎ উচচৈঃম্বরে বলিলেন, না তাহ! কখনই হইতে পারে না আমরা সচরাচর দেখিতেছি ধনবানেরা জগজ্জনমধ্যে বিশেষ গণা ও আদবণীয় হন। স্তাহার। কোন বিষয়ে নির্ধণ লোকের ন্ায় চিন্তাজরে জর্জরীভূত হন না, বিপদেও চিত্রস্থখ সম্ভোগ করিয়া নিশ্চিন্তে কালযাপন করেন । এমন কি তিলার্ধকালের জন্যও দুঃখিত থাঁকেন না। নিধন ব্যক্তি যতই কেন বিষ্তাবৃদ্ধিসম্পন্ন হউন না, তাহাদিগকে চিরদিন ধনীদিগের পদানত ভূত্য থাকিতে হয়। তুমি বিবেচনা! করিয়া দেখ, ধনহীন বাক্কিয জন্মই বৃথ!। ধনীর! বিপদাপন্ নিরাশ্রয় ব্যক্তিগণকে ধনধাব! “নিরাপদ করিয়া আশ্রয় প্রদান করিতে সমর্থ হন । পবিবাবদিগকে স্বচ্ছন্দে ভরণপৌধণ করিস পরমীনন্দে কীলাতিপাঁত করেন, এবং সমূদায় ধর্মই তাঁহাদের আয়তে থাকে । সুতরাং ধনই সর্কশরে্ঠ ।


২

স্থমন্ত অতি বুদ্ধিমান ও কৃতবিদা, স্থতবাং রাজনন্দনের এই অযৌক্তিক ঝুুক্য শ্রবণে কিয়ৎ্কল মৌনভাবে থাকিয়া বলিলেন, বন্ধে! পরম ক।রুণিক পরমেশ্বব যে সশৃদীয় বৃত্তি প্রদীন করিয়| মানবকুলের গৌবব বৃদ্ধি করিয়াছেন, বিদ্যা ভিন্ন তাহা পরিম।জ্জিত হয় না। যে জ্ঞানের নিমিত্ত মন্ুষ্যেরা সকল প্রকার জীবজন্তর উপর একাধিপত্য স্থাপন ও ঈশ্ববের অন্তিত্বজ্ঞান লাভ করিয়াছেন, তাহও বিদ্যা বাতীত লঞ্ধ হয় নাই। আপনি কিঞ্চিৎ স্থির চিত্তে বিবেচনা করিয়া দেখুন, বিদ্যাছ্বারা সকল কাধ্যই সাধিত হইতে পারে । অভাবনীয় ও আশ্চর্য আশ্চর্য্য কাধযসমূহ কেবল বিদ্যাবুদ্ধি দ্বারাই সম্পন্ন হইতেছে । যেকাধা বিদ্যাহীন লোক প্রাণ পথ্যন্ত পণ করিয়ও সমাধা করিতে পারে না, তাহ! বিদ্যা বৃদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি অনায়াসে মাধন করিয়া আপামর সার্াবের হিত সাধন করেন । মিত্র! বিদ্যা বুদ্ধিবিহীন ধনীবা খিজ্ঞলোকের স্থাপ্স নিতা চিন্ুন্রখ সন্ভেগ করিতে পাবেন না। ধনীদিগের অগ্তঃক হন সধদাই অন্থুখী; কেননা তাহারা কুসংস্কারের ক্রীতদাস । সামান্য বিবয়েই তাহারা উতৎ্কপ্িত ও বাকুল হন । আপনি কি বিবেচনায় বিদ্যা অপেক্ষা ধনের শ্রেষ্ঠতা স্বীকার করিতেছেন, বুঝিতি পারি না। লোধ হয় প্রমাদ্দে পতিত হহইযাছেন।


আপন সিদ্ধান্তের বিপরীত বাক্য শ্রবন কারয়া পাজকুমার সক্রাধ লোচনে বলিলেন, কি বৃথা তর্কবিতর্ক কাধিতেছ ? আমি চিরকালই জানি, তুমি আমার বাকা খণ্ন করিতে সাধামতে ক্রটি কর না, কিন্তু তুমি নিশ্চঘ জানিবে যে পথিবীর কেহই আমার বাক্য খপ্জন করিতে পারে না। ভুমি নিস্তব্ধ হ, ধনই জগতের মধ শ্রেষ্ঠ পদার্থ। হুমন্ত কহিলেন, যুবরাজ ! অকারণ ক্রোধ করেন কেন? এ তর্কের মীমাংসা স্বদেশে হইবার মন্তাবন! নাই । যেদেশ উভয়েরই অপরিচিত এমন এক দেশে গমন করা যাউ$, তাহা হইলে দেখা যাইবে, ধন দ্বারই বা কি কাধ্য সিদ্ধ হয় এবং বিদ্যাদ্ব/বাই ব1 কি কর্ন সম্পন্ন হয়। রাজকুম|ব তাহাতে সম্মত হইলেন। অতঃপর ভিন্নদেশে গমন করাই স্থির হইল। সেই প্র্নই রাঁজনন্দন পশ্চিমীভিমুখে এবং মন্ত্রিনন্দন পর্ববাভিমুখে যাত্রা করিলেন ।


বুজনন্বন নানা দেশ পরিভ্রমণ করিজ!, পরিশেষে বনপর্থটটলে প্ররৃক্ত হইলেন। সপ্রাহরুএদু নিবিড় বন পর্যটন করিয়া এক দ্বিবদ প্রন্াকন্দের প্লথর কিরণে অত্যন্ত তৃষ্ট৫ঞইয়) জল।খেষৰ করিতে লাগিলেন, কিনব নু চেষ্টাতেও


৩

জলপ্রাপ্ত হইলেন না। একে মার্তণের প্র5গুড কিরণ, তাহাতে আবার আনে ₹ ক্ষণ পথ্যন্ত বনে বনে ভ্রমণ করাতে “ক্লান্ত হইয়া পড়িলেন এবং মৃত্যু নিকটবর্ৰী জানিয়া খেদ করিয়া বলিতে লাগিলেন, হা পরমেশ্বর! আমি আপন দোষে আপনি বিপদে পড়িয়ছি, ঘোরতর পিপাসা আমর জীবন-নাঁশিনী হইয়াছে, আর সহ্য হয় না। এই তৃষ্তার্ত নরাধম সন্তানের প্রতি কপাদৃক্টিপাত করিয়া কিঞিি জীবনদানে জীবন রক্ষা করন | রাজপুত্র এবম্প্রকার আক্ষেপ কবিয়া পুনরা়্ জলান্বেষণে প্রবৃত্ত হইলেন। কিয়দ্ংর অতি কষ্টে গমন করিয়। হঠাৎ এক মনোহর উদ্ভানমধ্যস্থিত একটি স্ুরম্য সরে।বর দৃষ্ট হইলে রাজকুমার ত্রস্তভাবে তাহার তটবত্তী হইলেন । রাজপুত্রের পিপাসা ক্রমে ক্রমে তিরোহিত হইতে লাঁগিল। এই সময়ে তিনি আব এক আশ্চর্য ঘটন! অবলোকন করিয়! বিম্ব্বাপন্ন হইলেন । সেই জলাশয়ের সোপানসান্থে একটি কপিবর তপন্বী বেশে করে অক্ষমাল। ধারণ করিয়। নয়ন মুদিয়া জগদীশ্বরের ধ্যান করিতেছিল। যুবরাজ বঙ্কিম চক্ষে তাহাকে দর্শন করিতে করিতে সরোবরে অবরোহণ পূর্বক হন্তপদাদি প্রক্ষালন করিতে লগিলেন। হঠাৎ তাহার পদভরষ্ট একবিন্দু বারি কপিবেশধারী তপস্বীর গায়ে পতিত হইবামাত্র কপিদেহ পরিবর্তন হইয়। তাহার মনুগ্ধদেহ হইল । তখন তিনি অতি ভগ্নাবহ গভীর শব্দে কহিতে লাগিলেন, ওরে নরাধম পাপিষ্ঠ, কে তুই? তু কি জগ্ত আমার সমাধি ভর্দ করিলি? কিঞ্চিং অপেক্ষ! কর, প্রতিফল প্রান করিতেছি। বাজনন্দন সুকুমার তাহার তঞ্জনে কম্পিতকলেবর হইয়া কহিলেন, হে তাশনশ্রেঠ! আমার অক্গাতপাবে বারিবিন্কু আপনার গাত্রে পতিত হইয়াছে । অতএব কপ! করিব আমার এই অজ্ঞনরূত অপরাধ ক্ষমা কক্তন। আমি বহু কষ্ট সহা করিম! ভবদীয় শ্ীতরন দর্শন করিতে আপসিয়াছি। বীজ তনয়ের এবন্ুত মকাতর স্ততিবাক্যে তপত্বী ক্রোধ সন্বরণ করিয়া কহিলেন, তুমি কোন্‌ বংণে জন্মগ্রহণ করিয়াছি ? এবং কি নিমিত্ত এই তরুণ বয়সে বনপর্যটনযন্ত্রন! সহা কবিতে বাধ্য হইয়ছ? সবিশেষ সমস্ত বর্ণন কর, শুনিতে একান্ত ইচ্ছ! হইতেছে | রাজনন্দন আত্মবিবরণ আগ্ঘোপাস্ত ব্রন করিলেন । উদ্দাসীন হাস্ত করিয়া কিয়ৎক্ষণ মৌনাবলঙ্বন করিয়া রহিলেন.। সুকুমার রুতালিপুটে দগায়মান হইয়। বিবিধ প্রকার ত্তব করিতে লাঁগিলেন। তপস্থী যোগুবলে তাহার মনোগত ত|ব অবগত হইয়া আপন করস্থিত অঙ্গুরীয়ক তাহাকে প্রদান করিলেন। কিলেন, বৎস, এই অন্ুরীর্ গ্রহণ কর । ইহার নিকট তুমি যখন যাহা চাহিবে, তৎক্ষণাৎ


৪

তাহা প্রাপ্ত হইবে। কিন্তু তুমি এই অরপ্যানীর উত্তর, দক্ষিণ ও ধুর্বব প্রদেশ পরিভ্রমণ করিও, পশ্চিম প্রদেশে কদাচ গমন করিও না। তাহা হইলে বিপদ ঘটিবে। সুকুমার অঙ্কুরী প্রাপ্ত হইয়া তপন্বীর পদচুম্বন পূর্বক পুনরায় স্তব করিলেন । তপস্থবী তাহাকে বিদায় কবিয়া পূর্বববৎ বানবারুতি হইয়া আপন ইষ্ট দেবতাতে মনৌনিবেশ করিলেন। রাঁজনন্দন আপন উদ্দেশ্য সাধনে তৎপর

হইলেন।


পূর্ব দক্ষিণ, উত্তর এই তিনদিক ভ্রমণ করিয়া রাজকুমার চিন্তা করিলেন, যোগী পশ্চিমে যাইতে নিষেধ করিয়াছেন । কি জন্য নিষেধ করিলেন? পরে এই স্থির সিদ্ধান্ত হইল পশ্চিম দিকে কোন আশ্চর্য পদ্দার্থ থাকিতে পারে, অতএব তাহা অবলোকন করা কর্তব্য । আমার বিপদ হইবার অন্তাবনাকি আছে ? তপস্থী-দৃত্ত অঙ্গুরীয়কের নিকট যাহা প্রার্থনা করিব তাহাই পাইব | এক্ষণে পশ্চিম প্রদেশেই গমন করা বিধেয় | এই ভাবিয়া তিনি একাদিক্রমে পশ্চিমাঁভিমুখে গমন আরম্ভ করিলেন । এইবূপে বিংশ দিবস নানা বন উপবন ও পর্ব তশ্রেণী উত্তীর্ণ হইয়া পরিশেষে একটি অপূর্ব নগরে প্রবেশ করিলেন । তত্রতা অভিনব বস্ত, মানবম লী ও নগবের শোভ। দর্শন করিতে কবিতে ক্রমে ক্রমে অগ্রসর হইতে লাগিলেন, দেখিলেন, সম্মুখেই রাজবাটার প্রবেশদ্বারে একথ এ কৃক্খবর্ণ প্রস্তরফলকে ্বর্ণাক্ষরে এই লিখিত আছে, “এই বত্ুপুর সাত্রাজ্যেশ্বরের দুহিতা প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন, ফে ব্যক্তি সপ্তাহকাল তাহার মনোবাঞ্ছ! পূর্ণ করিতে পারিবেন, তিনি তাহাকেই পতিত্বে বরণ করিবেন । যিনি উক্ত সাতদিন অভিলধিত দ্রব্য প্রদ্দনি করিতে পরাজুখ হইবেন, তীহাকে যাবজ্জীবন কারাবাসে থাকিতে হইবে ।”


বৃপনন্দন উক্ত বিজ্ঞ।পনী পাঠ করিয়া এবং অন্য অন্ত লোকের নিকট রাজদুহিতাঁর রূপলাবণোর কথা শ্রবণ করিয়া একেবারে অধীর হইয়৷ পড়িলেন, এবং মনে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন, কপিবূপী তপস্বী-দত্ত যে অমূল্যরত্ব আমার; নিকটে আছে, তাহার সহায়তায় রাজকুমারীর অভীষ্ট সমুদায় অবলীলাক্রমে প্রদান করিতে পাঁবিব, অতএব রাজদুহিতার পাঁণিপীড়নে যে আমি সমর্থ হইব, তাহার; কোন সন্দেহ নাই। এইবপ কর্পনাপথবত্তী হইয়া সাহস ও উৎসাহ সহকারে পার্শ্ববর্তী ডঙ্কাধ্বনি করিলেন ।


তৎক্ষণাৎ কতিপয় পরম সুন্দর যুবা পুরুষ আসিয়া বাছ্ছনন্দের হন্তধারণ-


৫

পূর্বক ন্পতিসন্নিধানে সভামণ্তপে লইয়া গেল। রাজা যথোচিত সমাদরে নিকটবর্তী অপূর্ব আসন গ্রহণ করিতে অন্গমতি করিলেন। রাঁজনন্দন ভূপপতিকে সবিনয় সন্তাষণ করিয়া আসন পরিগ্রহ করিলেন । ন্বপততি যুবরাজের ভূবনমোহন বূপলাবণা দর্শনে বিমোহিত হইয়। মনে মনে চিন্তা করিতে লাগিলেন, এই যুবকটি অবশ্যই কোন রাঁজকুল অলঙ্কত করিয়াছেন, কিন্তু আমার কন্া কি ছুর্ভাগাৰতী , এইরূপ স্থকুমারের অস্কলক্ষমী না হইয়! বরং যথাসর্ববস্ব হরণপূর্ববক ইহাকে বিপদে পাঁতিত করিবে। যাহা হউক, এই উৎসাহোনুখ যুবককে সবিশেষ অবগত করাইয়া পূর্বেই সতর্ক করা আমার কর্তব্য হইতেছে । এইব্প চিন্তা করিয়! নরপতি ম্লানব্দনে মৃছু সম্বোধনে কহিলেন, ব্ন। তোমার আকুতি প্ররুতি দেখিয়া আমার অনুভব হইতেছে, তুযি কোন সন্থাস্ত বংশ বা রাঁজকুলে জন্ম পবিগ্রহ করিয়।ছ, দেশ পর্যাটন ব্যতীত তোমার অন্ত কোন অভিসদ্ধি ছিল একস বোধ হয় না। যাহা হউক, তুমি অগ্রপশ্চাঁৎ বিবেচনা না করিয়া ডস্কাধবনি করাতে ইচ্ছা কবিয়! বিপদহস্তে আত্মসমর্পণ কবিয়াছ। কতশত রাজপুত্র অসংখ্য ধনবত্ু ও বিবিধ প্রকাঁর আশ্চর্য বস্ত প্রদান করিয়াও আমার অঙ্গজার মনস্তট্টি সাধন করিতে পাঁরেন নাই | বিবাহ করিয়া স্থখ-সন্ভোগ করা দুরে থাঁকুক, কারাগারে 'চিরক্ই ভোগ কবিতেছেন। আপনার সহিত ধনজন কছুমাত্র দ্নেখিতেছি না. কি প্রকাবে বাজকন্তার মনোকঝ্সগ্ব! পূর্ণ করিবেন, বুঝিতে পারিতেছি না। বৎস! আমি পুনঃপুনঃ নিষেধ করিতেছি, ইচ্ছ! করিয়া অনলে অঙ্গ বিসর্জন করিও না। ভ্বীরত্ুলাভলালসা পরিত্যাগ কর। আমার ছুহিতার প্রকোর্ঠে প্রবেশ করিলে তখন আমার রক্ষা করিবার ক্ষম তা থাঁকিবে না। যুবরাজ বৃপতির বাক্য শুনিয়। মনে মনে নানা প্রকার আন্দোলন করিতে লাঁগিলেন। এখন উপায় কি কবি। ননূপছুহিতাঁর অলৌকিক বূপলাবণ্য আমার মনোহরণ করিয়াছে, স্থৃতরাং চিত্তবারণ ধৈধ্যা্কুশেও বাঁরণ না মানিয়া সেই পদ্দিনী গ্রহণ করিতে প্রতিজ্ঞা সরোববে ধাবিত হইতেছে । এইরূপ চিন্তা করিয়া! কতাগ্ুলিপুটে কহিলেন, মহারাজ! আপনার অমৃতময় উপদেশ আমার শিরোধাধ্য ; তথাচ এই নিবেদন করিতেছি, আমি যাতনা সহ করিয়! যখন এ পর্যন্ত আমিয়াছি, তখন অভিলষিত রত্ব লাভ করিতে পাঁরিব না বলিয়! হ্বস্থানে প্রতিগমন করিব না। যাহা ভবিতব্যে লিখিত আছে, তাহাই ঘটিবে। আমি আপনার তঙ্গজার মানস পূর্ণ করিতে সমর্থ কিনা, ইহা! আপনি কিরূপে বুঝিতে পারিলেন ? আমার সহিত ধনরত্ব ও রথ গজ নাই


৬

বলিয়া] অবজ্ঞা করিবেন নী । যেহেতু সকল মন্ুম্ত একভাবের নহে? আমি ষে" একাকি এই অপরিচিত দূরদেশে আসিয়া শতশত রাজপুত্র যে কার্য সাধন করিতে সমর্থ হয় নাই তাহা সিদ্ধ কবিতে সাহস প্রকাশ কবিতেছি, ইহার অবশই কোন নিগুঢ় কারণ থাকিতে পারে । তজ্জন্থ আপনি চিন্তা কবিবেন ন! । আপনার ছুহিতার নিকটে দূত প্রেরণ করুন, তাহার কি বাঞ্া, জানিতে পারিলেই অবিলম্বে পূর্ণ করিব । বাজা স্থবকুমারের এই সাহঙ্কার বাক্য শ্রবণ করিয়া আহলাদে গন্গদচিত্ত হইয়া সভীসদ্দিগকে বলিলেন, উহার মাহস দেখিযা

**********