পান্তাভাত খেতে ভালোবাসতেন রবি ঠাকুর। যদি সেই পান্তার স্বাদে যুক্ত হত বউদির আঙুলের স্পর্শ, ”অল্প একটু লঙ্কার আভাস দিয়ে, সেদিন আর কথা ছিল না” (রবীন্দ্রনাথ)।
পান্তা-লঙ্কা-বউদি-এই বিরল ত্রহ্যস্পর্শ রবীন্দ্রের অন্তরজীবনে ক্রমশ তৈরি করেছিল অমোঘ সেই রসায়ন যা একদিন তরুণ কবিটিকে বউদির উদ্দেশে লিখিয়ে নিল সম্পূর্ণ সমর্পণের স্বীকারোক্তি-তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা।